কাফি খানের মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিবের গভীর শোক

31

প্রখ্যাত সাংবাদিক ও বাচিকশিল্পী কাফি খান মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কাফি খান যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন।এক শোকবার্তায় আজ শুক্রবার বিএনপির মহাসচিব বলেন, কাফি খান শুধু একজন সাংবাদিকই ছিলেন না; তিনি ছিলেন একাধারে জনপ্রিয় সংবাদপাঠক, নাট্য ও চলচ্চিত্রশিল্পী। তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ একজন বলিষ্ঠ অভিভাবক হারাল।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, কাফি খান ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রেস সেক্রেটারি। কাফি খান সত্তরের দশকের শেষ থেকে আশি দশকের শুরু পর্যন্ত এ দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেন।বিএনপির মহাসচিব বলেন,১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পক্ষে সাংবাদিক কাফি খানের বলিষ্ঠ ভূমিকা আজীবন বাংলাদেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে মহান আল্লাহর কাছে সাংবাদিক কাফি খানের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ সাংবাদিক কাফি খানকে বেহেশত নসিব করুন।

লকডাউনের নামে প্রতারণা করছে সরকার

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির সভায় অবিলম্বে করোনার টিকা সংগ্রহ ও বিতরণের রোড ম্যাপ ঘোষণার দাবি জানানো হয়। জনগণ জানতে চায়, সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে?বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এনআইডি প্রকল্পের বিষয়ে ইসি চিঠি দেওয়ার পরেও সরকার সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে দুই লাইনের একটা চিঠি দিয়ে। এটা একটা অত্যন্ত দুরভিসন্ধিমূলক পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়েও তারা (সরকার) একটা চক্রান্ত, একটা ষড়যন্ত্র করতে যাচ্ছে, যাতে তারা জনগণের পরিচয় নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আমরা এহেন সিদ্ধান্তের নিন্দা জানাচ্ছি। সরকারকে তার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।