জন্ম হয়েছে যার লড়াই করার জন্য তার নাম তারেক রহমান।।

199

বাবা ছিলেন একজন মেজর, স্বাধীনতার ঘোষক, প্রেসিডেন্ট, জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। মা হলো তিন বারের প্রধানমন্ত্রী,দুই বারের বিরোধী দলের নেত্রী, যে ৯০ এর স্বৈরশাসক বিরোধী আন্দোলন এর নেতৃত্ব দিয়েছে, যে কখনো আপোষ করেননি যার কাছে এই দেশ, দেশের জনগন সব কিছুর উপরে।।

যার বাবা মা দুইজনই সরকার প্রধান এমন নজির বাংলাদেশের ইতিহাসে নেই। তবুও ক্ষমতা অপব্যবহার করেননি তিনি, তৃণমূল থেকে রাজনীতি শুরু করেছেন। রাজনীতিতে ওনি মেড ইন USA বা UK না ওনি সত্যিকারের বাংলাদেশি।।

আপনি আমি যারা আজ ঘর ছাড়া হামলা মামলার স্বীকার, তখন কি শুধু আমরাই সর্ব হারা? আমাদের থেকে বেশি হারিয়েছেন তারেক রহমান। দেশ ছাড়তে হয়েছে, দেশের মানুষ ছাড়তে হয়েছে, চোখের সামনে মা কে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে দেখছে। একমাত্র ভাই কে হারিয়ে নিঃস্ব প্রায়।।

আওয়ামী লীগ ২১ বছর ক্ষমতায় ছিলো না শেষ অস্তিত্ব বলতে কিছুই ছিলো না, সেই অবস্থান থেকে যদি ঘুরে দাঁড়িয়ে দেশ শাসনের নামে শোষণ করতে পারে তাহলে কেনো জাতীয়তাবাদী দল ঘুরে দাঁড়াবে না।।

অনেক বড় ভাইদের মুখে শুনেছি তারেক রহমান দলের জন্য দেশের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী দের নিয়ে ওয়ার্কশপ করেছেন। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া খুঁজে বেরিয়েছিল জিয়ার সৈনিক দের। এখনো অনেকের মুখে শুনি ভাইয়া ফোন দিয়ে আমার খোঁজ খবর নিয়েছেন, আমার সমস্যার কথা শুনেছেন। এটাই তো একজন নেতার সত্যিকার অর্থে গুন।।

যারা রাজনীতি করতে আসে এর বেশির ভাগ মানুষই কিন্তু কিছু পাওয়ার আশায় রাজনীতি করতে আসে না, নিজের খেয়ে দেশের জন্য একটা ইতিহাস হতে আসে। আচ্ছা কেমন আছেন তারণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমান ? কেমন আছে প্রিয় মাতৃভূমি কে ছেড়ে? কেমন আছে মা কে হাসপাতালে ভর্তি রেখে ?

আমার নেতা আমার অহংকার আমি ভরসা করি আল্লাহর উপর, বিশ্বাস করি আমার নেতা জনাব তারেক রহমান এর উপর। ইনশাআল্লাহ তারণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ।।