অনলাইনে কেনা থ্রি-পিসের দাম দিতে গিয়ে স্বা’মী-সং’সার হারালেন তরুণী

120

অনলাইনে কেনা একটি থ্রি-পিসের দাম দিতে গিয়ে সংসার ভে’ঙেছে এই না’রীর, তালাক দিতে হয়েছে স্বা’মীকে। জরিমানা দিতে হয়েছে থ্রি-পিস বিক্রেতা রতনকেও।রোববার রাতে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজে’লার বাদিয়াজান গ্রামে এ ঘ’টনা ঘটে। সোমবার বিকেলে স্থানীয় মাতব্বররা সালিস ডেকে স্বা’মীর স’ঙ্গে ওই না’রীর বিচ্ছেদ ঘটান। একইস’ঙ্গে ব্যবসায়ী রতনের কাছ থেকে দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা।

এ বি’ষয়ে ভু’ক্তভোগী না’রী বলেন, অনলাইনে কাপড় নিছিলাম। কাপড়ের টাকার জন্যই আসছিলো রতন। ঘরের ভে’তরেও আসে নাই, দরজার কাছে ছিল। আমার দেবর তাকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে দেয়। এরপর অনেকবার ডাকলেও সে দরজা খোলে নাই। সারারাত আমাকে ও রতনকে এক ঘরে আ’টকে রেখেছে। সকালে বাড়ির সবাইকে ডেকে এনে একটা মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমার সংসার ভে’ঙেছে।

তিনি বলেন, আমার ভু’ল ছিল- আমি বাড়ির কাউকে না জানিয়ে রতনকে রাতে টাকা দেয়ার জন্য আসতে বলেছি। এ ঘ’টনা না ঘটলে তো আমার সংসার ভাঙতো না। আমার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা চা’প দিয়ে আমাকে তালাক দিতে বা’ধ্য করেছে। আমার বি’রুদ্ধে স্বা’মীর পাঠানো ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।

ওই না’রী আরো বলেন, আমার স’ঙ্গে রতনের কোনো সম্প’র্ক ছিল না। সে আমাকে ধ’র্ষ’ণ করেনি, শ’রীরে স্পর্শ পর্যন্ত করেনি। সারারাত সে নিচে ছিলো, আমি খাটের উপরে ছিলাম।

এ বি’ষয়ে ব্যবসায়ী রতন বলেন, বাদিয়াজান গ্রামে আমার শ্বশুরবাড়ি। সেই সুত্রেই ওই না’রীর স’ঙ্গে পরিচয়। তিনি আমার কাছ থেকে বাকিতে একটা থ্রি-পিস নিয়েছিলেন। রোববার রাতে কাজ শেষে থ্রি-পিসের টাকা আনতে তার বাড়িতে যাই। এরপরই তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা আমাকে আ’টকে সালিস বৈঠক ডাকে।

নৌকার প্রার্থীকে ভিক্ষার ৫০০ টাকা দিলেন শহর আলী
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফারুক হোসেনের হাতে ভিক্ষার ৫০০ টাকা তুলে দিয়েছেন শহর আলী (৬০) নামে এক ভিক্ষুক। মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণার জন্য এ টাকা তুলে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

শহর আলী জে’লার হরিণাকুণ্ডু উপজে’লার ধুলিয়া গ্রামের মৃ’ত আখের আলী মন্ডলের ছে’লে। তিনি একজন শা’রীরিক ও বাঁক প্রতিব’ন্ধী। হরিণাকুন্ডু উপজে’লা শহরের পৌর এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করেন তিনি।

জানা যায়, ভিক্ষুক শহর আলীর মন এখনও কাঁদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তার অগাধ শ্রদ্ধা। আসন্ন ৩য় ধাপে অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফারুক হোসেনকে মঙ্গলবার দুপুরে দুইদিনের ভিক্ষার ৫০০ টাকা তুলে দিয়েছেন তিনি। নির্বাচনের খচর হিসেবে তিনি টাকা দিয়েছেন মেয়র প্রার্থীকে।

শহর আলী বলেন, ‘আমি ম্যালা দিন ধরে হন্নেকুড়োতে ভিক্ষা করি। ফারুক ভোটে দাড়াইছে। সে তো এখনও মেম্বার আছে। তার কাছে গেলি আমা’র কখনো ফিরায়নি। আমা’র খোঁজ খবর নেছে। নৌকা নিয়ে ভোটে দাড়াইছে। ওর তো এখন ম্যালা খরচ। আমা’র এট্টু ক’ষ্ট হলিও টাকা’টা দিলাম। ওর যদি উপকার হয় তালি ভালো। আর ও মেয়র হলি আমা’রও ভালো লাগবি। তাই টাকা দিলাম।’

এ ব্যাপারে মেয়র প্রার্থী ফারুক হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি একজন ভিক্ষুকের এমন ভালবাসা আমাকে অ’বা’ক করেছে। শহর আলী যা করেছে তার আমা’র বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সে পৌরসভা’র বাসিন্দা না হয়েও নৌকা প্রতীকের প্রচারণার জন্য আমা’র কাছে ছুটে এসেছে আমাকে সাহায্য করার জন্য। আমি আবেগে আপ্লুত। আমি তার ভালোবাসার কথা জীবনেও ভুলব না।

হরিণাকুন্ডু উপজে’লা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, আওয়ামী লীগের প্রতি মানুষের ভালোবাসা যে এখনও তীব্র তা শহর আলীকে দেখলেই বোঝা যায়। মানুষের এই ভালোবাসায় এগিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা। ভিক্ষুক শহর আলীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাকে সহায়তার কথা জানান জাহাঙ্গীর হোসাইন।