ক’রোনা ম’হামা’রি নির্মূ’ল না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতি’ষ্ঠান ব’ন্ধ রাখতে সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ

109

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ক’রোনা ম’হামা’রি নির্মূ’ল না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে স’রকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার। নোটিশে ক’রোনার পুরো সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে অনলাইনে শতভাগ ক্লাস নেয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার নিজেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে নোটিশ দেয়ার বি’ষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন। নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সি’দ্ধান্ত বাতিল করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচার করতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ জানুয়ারি অবিলম্বে সারাদেশের সব স্কুল-কলেজ খুলে দিতে স’রকারকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছিলেন ভাওয়াল মির্জাপুর পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিন্সিপাল আব্দুল কাইয়ুমের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী। শিক্ষা স’চিব ও শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নোটিশ পাঠানো হয়। ওই নোটিশের পর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় তিনি ২১ জানুয়ারি রিট আবেদন করেন।

রিটে বলা হয়, ক’রোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ পর্যন্ত ১১ বার বন্ধের নোটিশ দিয়েছে স’রকার। দীর্ঘ দিন স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ও’পর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা এ সময়ে বাহিরে ঘোরাঘুরি করছে, টিভি দেখে সময় ব্যয় করছে। এছাড়া মোবাইল ব্যবহার করে খা’রাপ অভ্যাস হয়ে যাচ্ছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে ওই রিটে।

ক’রোনা সং’ক্র’মণ রোধে গত বছর ১৭ মার্চ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে স’রকার। এরপর দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো হয়।প্রস’ঙ্গত, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুল-কলেজ খোলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে স’রকার। এরপর কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। আর স্কুল-কলেজের স’ঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সবাইকে টিকা নেয়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
টিকা নিতে অনেকের সাড়া মিলেছে, এরইমধ্যে অনেক মানুষ টিকা নিয়েছে। টিকা নেয়ার পর এখনো কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়নি উল্লেখ করে সবাইকে ক’রো’নার টিকা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) টিকাদান কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, “বিশ্বে ক’রো’নায় আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন। যারা টিকা নিয়েছেন তারা সবাই সুস্থ আছেন। এই টিকায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড-১৯ এর এই টিকা সবচেয়ে নিরাপদ।”

পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ টিকা দেয়া হবে। এই পাঁচটি হাসপাতা’লে আজ প্রায় ৫০০ জনকে ক’রো’নার টিকা দেয়া হবে।

টিকাদানের পর পর্যবেক্ষণ শেষে আগামী ৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক হারে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। তবে, পরিকল্পনা অনুযায়ী, অন্তঃসত্ত্বা না’রী ও ৩৭ শতাংশ জনগোষ্ঠী যারা ১৮ বছরের কম বয়সী, তাদের টিকা দেয়া হবে না।